এই যে কিছুই না থাকা, আসলে তো 'কিছুইনা থাকা'; একরাশ বিষন্ন শূণ্যতায় হৃদয় ভার হয়ে থাকা। কোথায় থাকা—কেমন থাকা জিনিসটা বেশ আমুদে লাগে আজকাল/ইদানীং/অদ্য সময়ে; কেউ জিজ্ঞেস করে বসলে আহ্লাদ হয়, আবার মিইয়ে যাই।
কেমন যেন গোছালো গোছালো লাগে সব— বুক কেঁপে ওঠে, ভেতর থেকে কেউ হঠাৎ বলে ওঠে, "সব তছনছ করে ফেলো, সব ধ্বংস করো, সব বিভক্ত করো, সব, সব, সব ; তারপর সব শান্ত— এটাই এনট্রপির নীতি, এটা মহাজাগতিক আইন।"
বোধহয় বহু বৎসর হয় কেউ জিজ্ঞেস করেনি, "কতটা ভালোবাসো? " আদৌ ভালোবাসি কিনা তাও কেউ জিজ্ঞেস করেনি। এটাই উত্তম, প্রকৃতি বোধহয় তাই চায়। একটি জিজ্ঞাসা— জবাবদিহিতার শিকলে বন্দি করে বলেই হয়তো... কারও জন্য হয়তো আজীবন কোনো শিকলের গন্ডি থাকে না। প্রেমহীনতার জন্য এ ভালোবাসাহীনতা নাকি ভালোবাসার প্রচন্ড সংকটে প্রেমের বাজারের আকাশচুম্বী মূল্য চোকানোর দায় কাঁধে নেওয়ার ভয় আমাকে গ্রাস করেছে?
❝কন গাবুরী নঃ বেই যার চেঙে ছড়া লামোনি,
আজি আজি রিনি চায় চোগো ইজেরেদ মাদে যায়।❞
❝বুগোত বান্যে খাদি আন, পিন্নে নুও পিনোনান,
চুল চুদোত ফুল গুজেয়ে, আদত ধজ্জে পাঙেয়ান ❞
— এই চোখের যে মালিক, সে চোখের সাথে আমার কতটা পার্থক্য? আমিও কি আমার চোখে এই চাহনী তুলিনি কখনো? কেন তবুও আমার মনে হয় আমি ভালোবাসি না, আমি স্রেফ, স্রেফ শূন্যতার আঁধার।
আজি আজি রিনি চায় চোগো ইজেরেদ মাদে যায়।❞
❝বুগোত বান্যে খাদি আন, পিন্নে নুও পিনোনান,
চুল চুদোত ফুল গুজেয়ে, আদত ধজ্জে পাঙেয়ান ❞
— এই চোখের যে মালিক, সে চোখের সাথে আমার কতটা পার্থক্য? আমিও কি আমার চোখে এই চাহনী তুলিনি কখনো? কেন তবুও আমার মনে হয় আমি ভালোবাসি না, আমি স্রেফ, স্রেফ শূন্যতার আঁধার।
অথচ আমারও চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে—
❝মুই'অ ধঃ তমা সান কোজপেয় জানঙ, কোয়-ও জানঙ, গেই-ও জানঙ...❞
কিন্তু দিন শেষে, অবশেষ থাকে বিদায়ী শ্রাবণের আর্তনাদ হৃদয় জুড়ে—
❝শাওন ফুরেই যিয়েগোই, নেই কনহ্ ফুলো তুমবাজ, মহ্ মনহ্ তিরোজসান্ কন্না ফুরেবহ্....❞
মন্তব্যসমূহ: